বৃহস্পতিবার,  রাত ৩:০৪  ♦  ১৯শে অক্টবর, ২০১৭ ইং, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( হেমন্তকাল ), ২৮শে মহররম, ১৪৩৯ হিজরী  ♦
ওয়ার্ডপ্রেস টিপস
hmbashar
  • 29 টি টিপস
About Author

সুপ্রিয় TiPS4BLOG কমিউনিটি, আমি মোঃ আবুল বাশার, আপনাদের দারুন আর মানসম্মত টিপস নিয়মিত উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে TiPS4BLOG সোসিয়াল নেটওয়ার্কের এর সাথে যুক্ত হয়েছি।

২ বছর ১ মাস ১৬ দিন আগে
হোস্টিং প্যাকেজ
বিভাগ: ডোমেইন হোস্টিং সেপ্টে. 4, 2015  -  10:39:01 পূর্বাহ্ন (  ২ বছর ১ মাস ১৫ দিন  আগে  )

ডোমেইন হোস্টিং [পর্ব-৪] :: হোস্টিং প্যাকেজ ধরন

অ-
অ+

গত সিরিজে আমি আলোচনা করেছিলাম হোস্টিং কি সে সম্পর্কে। আজকে আমি আলোচনা করবো হোস্টিং প্যাকেজ নিয়ে। সাধারনত কয়েক ধরনের হোস্টিং প্যাকেজ হতে পারে:

বিজ্ঞাপন

বিনামূল্যে হোস্টিং করা (Free Hosting)

ছোটখাটো ব্যাক্তিগত ওয়েব সাইটের জন্য এই হোস্টিং ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। এটাতে Bandwidth বা Monthly ট্র্যাফিক খুব কম থাকে, নিরাপত্তা শক্ত হয় না এবং কোন ডোমেইন নামও পাবেন না।

শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজ

এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রচলিত হোস্টিং প্যাকেজ। আমরা যে হোস্টিং গুলো ব্যাবহার করছি বা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইডাররা যে হোস্টিং অফার করে থাকে তা সবই শেয়ারড হোস্টিং। প্রফেশনাল বা কোন বড় সাইটের একটা স্বয়ংসম্পূর্ন সার্ভারের নির্দিষ্ট পরিমান সার্ভিস দরকার। এই সমস্ত সুবিধা নিজস্ব সার্ভারে নিয়ে আসতে গেলে বেশ ব্যায়বহুল হয়ে যায়। এদের জন্য Shared Hosting উপযুক্ত। তবে, এই সার্ভারের নিরাপত্তা কম থাকে কারন, এখানে একসাথে অনেক ক্লায়েন্টের সাইট (১০ থেকে শুরু করে আরও বেশি) একসাথে থাকে। এছাড়া আনলিমিটেড ডেটাবেস, ইমেইল, ব্যান্ডওয়াইডথ এসব পাবেননা, সব সীমিত। খুব ভাল হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছে হোস্টিং করালে শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজ থেকে সর্বোচ্চ নিচের সুবিধা গুলি পেতে পারেন:

  • ১০০% আপটাইম
  • আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস (আসলে ১ লক্ষ ফাইল পার হলে আর আপলোড করতে দেয় না)
  • আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইডথ
  • আনলিমিটেড ডেটাবেস
  • ফ্রি cPanel

নিজের ডোমেইনের জন্য কোন ডেডিকেটেড আইপি পাবেন না, কোন সফটওয়্যার ইনস্টল দিতে পারবেন না (সার্ভারে) এছাড়া আরো সীমাবদ্ধতা আছে।

আসলে তাদের মুল সার্ভারটির CPU এর ২৫% ভাগ বেশি ব্যবহার করে ফেললে নানান টালবাহানা শুরু করে। যেহেতু সব আনলিমিটেড লেখা থাকে তাই সরাসরি বলবেনা যে আপনোকে ডেডিকেটেড সার্ভার নিতে হবে। যখনি আপনার সাইটে প্রচুর হিট পরবে তখনি ইনিয়ে বিনিয়ে নানান কথা এবং কাজের মাধ্যমে বুঝাতে চাইবে তারাতারি ডেডিকেটেড সার্ভার নিন। যদি না বোঝেন তাহলে আস্তে আস্তে সাইট বন্ধ/ডাউন করে রাখবে।

এরুপ একটি প্যাকেজ নিলে বছরে ৬/৭ হাজার টাকা খরচ পড়তে পারে।

ডেডিকেটেড হোস্টিং প্যাকেজ

এই হোস্টিং এর জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন এবং অনেক ব্যায়বহুল। যদি আপনার ওয়েবসাইট অনেক অনেক বড় হয় এবং শক্ত নিরাপত্তা দরকার তখন এই হোস্টিং করা চলে। এখানে আপনি আপনার খরচ পরিমান হার্ডওয়্যার পাবেন। যত ব্যাস্ত সাইট হবে তত বেশি পাওয়ারফুল হার্ডওয়্যার লাগবে। এই হোস্টিং ২ প্রকার:

Managed Hosting

হোস্টিং প্রোভাইডাররাই সব করে দেবে যেমন নিরাপত্তা, সার্ভার সেটাপ, নেটওয়ার্ক কনফিগার, কোন সফটওয়ার ইনস্টল দেয়া ইত্যাদি এজন্য তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হবে।

Unmanaged Hosting

আপনি যদি Server administrator হন অর্থাৎ, আপনি যদি নিজেই আপনার এই ওয়েব সার্ভারের সকল কাজ করে নিতে পারেন তাহলে এটা Unmanaged Hosting হবে। এতে আপনার অনেক অর্থ সেভ হবে। সার্ভার ম্যানেজ করা শেখা যায়। ওয়েবে হাজারটা টিউটোরিয়াল আছে ইচ্ছে করলে শিখে নিজের কাজ নিজেই চালাতে পারেন।

একটা ডেডিকেটেড হোস্টিং প্যাকেজ এর বর্ননা এবং উদাহরন:

  • Intel Xeon Quad Core 2.5GHz (8 threads) : ৮ কোরের প্রসেসর ২.৫ গিগাহার্জ ক্লক রেট।
  • 500 Mbps Uplink : ৫০০ মেগাবিট ডেটা সেকেন্ডে ট্রান্সফার করতে পারবে।
  • 8 GB Ram : RAM ৮ জিবি
  • 1,000 GB RAID-1 Drives : ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক RAID 1 প্রটেকশন
  • 20 TB Bandwidth : ২০ টেরাবাইট অর্থ্যাৎ ২০,০০০ জিবি মাসিক ব্যান্ডওয়াইডথ (বা এই পরিমান ডেটা ট্রান্সফার করতে পারবেন)
  • 4 Dedicated IPs : ৪ টা ডেডিকেটেড আইপি
  • WHM, cPanel ফ্রি পাবেন, আনলিমিটেড ডেটাবেস তৈরী করতে পারবেন এবং আরো অনেক সুবিধা পাবেন।

এরুপ একটি হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকার মত লাগবে।

ভিপিএস (VPS) হোস্টিং (Virtual Private Server)

শেয়ারড আর ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাঝামাঝি হল ভিপিএস হোস্টিং। ডেডিকেটেড সার্ভারে সব হার্ডওয়্যার রিসোর্স একা আপনাকে দিয়ে দিবে এবং আপনার সাইট একটি সার্ভারে থাকবে। আর শেয়ারড হোস্টিং এ আপনার সাইটের সাথে থাকবে আরো হাজারটা সাইট। বিস্তারিত উপরেই আছে। ভিপিএস হোস্টিং এ সাধারনত একটা ডেডিকেটেড সার্ভার কয়েকজনকে ভাগ করে দেয়। যেমন ১৬ জিবি র‍্যামের একটা সার্ভার আপনাকে দিল ৪ জিবি এবং বাকিগুলি আরো ৩ জনকে দিল এভাবে সব রিসোর্স ভাগ/সীমাবদ্ধ করে দেয়। ডেডিকেটেড সার্ভারের মতই মোটামুটি নিজের মত যেকোন সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া যায়। সাধারনত তখন এরুপ হোস্টিং প্যাকেজ নিবেন যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের সব রিসোর্স আপনার লাগবেনা, তাহলে কাজও হল কিছু অর্থও সেভ হল।

আজকে এপর্যন্তই, আগামী টিপসে হোস্টিং এর আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ইন-শা-আল্লাহ। দেখার আমন্ত্রণ রইলো। যদি টিপসটি উপভোগ করে থাকেন বা আপনার কোন উপকারে এসে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যদের জানাবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে নিশ্চিন্তে নিচে মন্তব্য করতে পারেন, ধন্যবাদ।

টিপসটি পূর্বে এখানে প্রকাশিত।

Ads by rwc
বিজ্ঞাপন

নির্বাচিত টিপস মনোনয়ন

0

টিপসটি কি উপভোগ করেছেন?

এই টিপসের মতো এবং এরকম আরও ভালো মানের টিপসের জন্য ইমেইলের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে TiPS4BLOG নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না!

এছাড়াও আপনি পছন্দ করতে পারেন

১ টি মতামত

  1. samrat says:

    আমার একটা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য এর নামেই একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাই। যেমন greenlife.com কিন্তু এ নামে অলরেডি একটা ওয়েবসাইট আছে। এখন ঐ নামে কিভাবে ওয়েবসাইট খুলব। সম্ভব না হলে আল্টারনেট কি উপায় আছে? আমি এই নামেই কম্পানি পরিচিতি লাভ করাতে চাচ্ছি।
    ধন্যবাদ।

আপনার মতামত দিন

যদি আপনার কোন বক্তব্য থেকে থাকে অথবা আপনি কোন কিছু সুপারিশ করতে চান অথবা বোঝার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হয়, নিশ্চিন্তে নিচে মতামত দিতে পারেন। দয়া করে স্প্যামিং করবেন না এবং কোন বাজে ভাষা ব্যবহার করবেন না। আমরা আপনাদের কাছ থেকে অর্থবহ এবং গঠনমূলক মতামত আশা করি।


− 2 = শুন্য